মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

আপনার জিজ্ঞাসা

জি ডি বিষয়ক জিজ্ঞাসা:

প্রশ্ন

উত্তর

১. জি ডি কী এবং কেন ?

মূল্যবান যে কোন জিনিস হারালে যেমন-সার্টিফিকেট, দলিল, লাইসেন্স, পাসপোর্ট, মূল্যবান রশিদ, চেকবই, এটিএম বাক্রেডিট স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ইত্যাদি। অথবা কোন প্রকার হুমকি পেলে বাহুমকির আশংকা থাকলে কিংবা কেউ নিখোঁজ হলেও জিডি করার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎসাধারণত যেসব ক্ষেত্রে মামলা হয়না সেসব ক্ষেত্রেই থানায় জিডি করা যায়। জিডিকরার কোন বাধ্যবাধকতা না থাকলেও নতুন করে হারানো কাগজ তুলতে হলেও জিডিরকপির প্রয়োজন হয়।

২.জি ডি কোথায় করতে হয় ?

জি ডি থাণায় করতে হয়।জিডি করার ক্ষেত্রেসাধারণত ঘটনাস্থলকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থাৎ, যে এলাকায় ঘটনা ঘটেছে বাঘটার আশঙ্কা রয়েছে, সে এলাকার থানাতেই জিডি করতে হয় ।

৩.জি ডি কত কপি করতে হয় ?

থানায় গিয়ে জিডি করলে আপনাকে দুটি কপি করতে হবে। আবেদনের দ্বিতীয় কপিতে জিডি নম্বর, তারিখ এবং অফিসারের স্বাক্ষর ও সিললাগিয়ে আপনাকে দেওয়া হবে এবং জিডিটি নথিভুক্ত হবে। কপিটি আপনি নিজের জন্যসংরক্ষণ করবেন।

৪.জি ডি পরবর্তীতে কি হয় ?

জিডি হওয়ার পর তা কর্তব্যরত কর্মকর্তা থানার ওসির কাছেপাঠাবেন। জিডিটি যদি আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে হয়, তবে থানা কর্তৃপক্ষসঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি আমলে নিয়ে অপরাধটি প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেবে এবং গৃহীতব্যবস্থা পুনরায় আবেদনকারীকে অবহিত করা হবে।

৫.পুলিশক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটকী ?

কোন ব্যক্তি সম্পর্কে পুলিশ তদন্ত করে যে সার্টিফিকেট প্রদান করে তাকে পুলিশক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটবলে।

৬.পুলিশক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটকেন প্রয়োজন হয় ?

বিভিন্ন প্রয়োজনেই আমাদের ‘পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট’- এরপ্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।যেমন- বিদেশে যাওয়ার জন্য, চাকুরীর ক্ষেত্রে

৭.পুলিশক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটনিতে কি কি কাগজ প্রয়োজন ?

পাঁচশত (৫০০/=) টাকার ট্রেজারী চালান,পাসপোর্টের ফটোকপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

৮. এফ আই আর কী ?

First  information  report (FIR) -কোন ব্যক্তি থাণায় এসে অভিযোগ করলে সেটা যখন নির্ধারিত ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় তখন তাকে FIR বলে।

৯. এজাহার কী ?

কোন ব্যক্তি থাণায় এসে যে লিখিত অভিযোগ করে সেটাকে এজাহার বলা হয় ।

 

আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স বিষয়ক জিজ্ঞাসা:

১।  আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্সের আবেদন ফরম কোথায় পাওয়া যায়?

·        জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জে এম  পাওয়া যায়।

২। আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি কী?

·        একনালা/দুইনালা বন্দুক/রাইফেল লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পর ডিএসবি শাখার সন্তোষজনক মতামত প্রাপ্তি সাপেক্ষে জেলা প্রশাসক কর্তৃক লাইসেন্স প্রদান করা হয় ।

·        পিস্তল/রিভলবার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করলে ডিএসবি শাখার সন্তোষজনক মতামত প্রাপ্তির পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি সাপেক্ষে লাইসেন্স প্রদান  প্রদান করা হয় ।

৩। কত বয়স হতে হবে?

·        আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদনকারীর বয়স ন্যূনতম ৩০ বছর (প্রযোজ্য ক্ষেত্র ব্যতীত)

৪। কি কি কাগজপত্র আবশ্যক?

·        পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত ০৩ কপি, ব্যাংক সলভেন্সী, জন্ম নিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, আয়কর সার্টিফিকেট, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ওয়ারিশান সার্টিফিকেট, ব্যবসায়িক ট্রেড লাইসেন্স, ১৫০/-টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে হলফ নামা দাখিল করতে হবে।

৫। আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ফি কত?

·        একনালা/দুইনালা বন্দুক ও শর্টগান লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি-১৫০০/-টাকা।

·        রাইফেল লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি-২০০০/-টাকা।

·        পিস্তল/রিভলবার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি-৫০০০/-টাকা।

৬। কখন নবায়ন করতে হয় ?

·        সাধারণত প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে নবায়ন করতে হয়। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ ক্ষমতায় নবায়নের সময়সীমা পরবর্তী বছরের জানুয়ারী মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করে থাকেন।

৭। নবায়ন ফি কত ?

·        একনালা/দুইনালা বন্দুক/রাইফেল/শটগান লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি-১০০০/-টাকা।

·        পিস্তল/রিভলবার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি-৩০০০/-টাকা।